দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলায় উপকূলের  তিন জেলার জনপ্রতিনিধিরা  এক মঞ্চে

40
Exif_JPEG_420
খুলনা ব্যুরো
জলবায়ূ পরিবর্তন ও ক্ষতি মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত চান খুলনা উপকূলীয় এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। একই সাথে জলবায়ূ ফাণ্ডের ন্যায্যতা দাবি করেন তারা। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ূ পবির্তন বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় এ অভিমত তুলে ধরেন। বেসরকারি সংস্থা অ্যাওসেড এ সভার আয়োজন করে। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকার সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এতে অংশ গ্রহণ করেন।
অ্যাওসেড নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা -২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, বাগেরহাট -৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিনুল আলম মিলন, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান বাবু, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহামান, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, দাকোপের লাউডোব ইউপি চেয়ারম্যান মো. যুবরাজ, পাইকগাছার দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মন্ডল, বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান এমরান হোসেন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ষাটের দশকের বেড়িবাঁধ, স্লুইজগেট উপকূলের বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছে। নদীর ন্যব্যতা হারিয়ে ভরাট হচ্ছে। সংসদ থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্বয়ক করে কাজ করতে হবে। তাহলে এই সমস্যা, জলবায়ূ পরির্তন ও ক্ষতিপূরণের ন্যয্যতা আদায় সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশী ক্ষতির শিকার উপকুলীয় এলাকা। এ থেকে উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জলবায়ূ পরিবর্তনে উপকূলীয় মানুষের কোন দায় না থাকলেও সবচেয়ে বেশীর ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী। আগামী দিনে ভূমি ধস, লবণাক্ততা, নদী ভাঙন বড় বিপদ দেখা দিতে পারে। উপকূলের প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে। কোথাও নদী ভাঙছে, কোথাও ভরাট হচ্ছে। এজন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিমত ছাড়া বর্তমান প্রাকৃতিক দুযোর্গ মোকাবেলা সম্ভব নয়। লোকায়িত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। #