খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদ

56

খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ। এতে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে তৃনমূলের নেতা কর্মীদের মধ্যে। প্রার্থীতা ঘোষনার পর থেকেই মোবাইল ফোনে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেখ হারুনুর রশীদকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভানুধ্যায়ীরা। অনেকে প্রবীন এই রাজনীতিবিদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
জানা যায় ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি প্রথমবারের মতো খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক নির্বাচিত হন। ২০১৭ সালের ২৯ জানুয়ারি তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পাঁচবছরের মেয়াদ শেষে ২০২২ সালে শেখ হারুনুর রশীদ আবারও জেলা পরিষদের প্রশাসক মনোনিত হন। সর্বশেষ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনিত হন।
জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশিদ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বটিয়াঘাটার কাতিয়ানাংলার ডেউয়াতলা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৃত শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাতা মৃত ফাতেমা খাতুন। তিনি ১৯৬২ সালে খুলনা মডেল স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৬৪ সালে বিএল কলেজ থেকে আইএসসি ও ১৯৬৯ মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেন। রাজনৈতিক জীবনে ১৯৬২’র শিক্ষা কমিশন বাতিল আন্দোলনে খুলনা ছাত্রলীগের সভাপতি, স¦াধীনতার পর খুলনা যুবলীগের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বটিয়াঘাটা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি (৮ বছর), জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে মহান স¦াধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ (১৯৭১), খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক (১৯৭৬), খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (১৯৭৮), জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক (১৯৮২), জাতীয় সংসদ সদস্য খুলনা-১ (১৯৮৬), জাতীয় সংসদ সদস্য খুলনা-১ (১৯৯১), বিরোধী দলীয় হুইপ, পঞ্চম জাতীয় সংসদ (১৯৯১), বন ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য (১৯৯১), খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পরে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (১৯৯৬), কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ভারত, নেপাল, ফ্রান্স, ইতালী ও সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফর করেছেন।